.

.

মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৫

নির্বাচনী প্রচারণায় খালেদার নিরাপত্তায় পুলিশ

By on ২:৪৮ PM
পৌর নির্বাচনের প্রচারণায়  বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে পুলিশ নিরাপত্তা দেবে। তবে ইসির নির্দেশনার বাইরে পুলিশ বাড়তি কোনো সুবিধা দেবে না।
বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে চলাফেরার সময় গাড়িবহরের সঙ্গে পুলিশের ৬ সদস্যের প্রটেকশন টিম থাকছে। এছাড়া খালেদা জিয়ার বাসভবন ও গুলশান কার্যালয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) একজন সদস্য পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন। ইসির আচরণবিধি অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়া পৌর নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন। রোববার ইসি কার্যালয়ে এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ সংসদের বাইরে থাকায় খালেদা জিয়ার পৌর নির্বাচনের প্রচারণায় নামতে বাধা নেই বলে জানান।
তবে প্রচারণার সময় পথসভার নামে তিনি শোভাযাত্রা বা জনসভা করতে পারবেন না বলে স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, আইন বা বিধি ভঙ্গ করলে যেই হোন তার বিরুদ্ধে কমিশন ব্যবস্থা নেবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সজাগ থাকারও আহ্বান জানান নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ।
আরও দেখুন এখানে

নিজামীর রায় ৬ জানুয়ারি

By on ২:৪৩ PM
মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর আপিলের রায় ঘোষণা হবে ৬ জানুয়ারি।
আজ দুই পক্ষের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার রায়ের এই দিন ঠিক করে দেয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় পাবনার সাঁথিয়ার বাউশগাড়ি, ডেমরা ও রূপসী গ্রামে প্রায় সাড়ে ৪০০ মানুষকে হত্যা, ৩০-৪০ জন নারীকে ধর্ষণ; করমজা গ্রামে নয়জনকে হত্যা, একজনকে ধর্ষণ, বাড়িঘরে লুটপাট-অগ্নিসংযোগ; ধুলাউড়ি গ্রামে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৫২ জনকে হত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়ের ঊষালগ্নে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার দায়ে গতবছর ২৯ অক্টোবর নিজামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আরও দেখুন এখানে

বেশি শাসনের ফল বিরূপ

By on ২:১০ PM
সব বাবা-মা চান তাদের আদরের সন্তান বেড়ে উঠুক ভদ্রভাবে। দুষ্টুমি আচরণ ঝেড়ে বাচ্চার মধ্যে থাকুক বাঞ্চিত আচরণ বোধ। আর তাই শাসন আর আদরের মাঝে তাকে বড় করে তোলা হয়। অথচ মাঝে মাঝে আদরের চেয়ে শাসনের মাত্রাটা একটু বেশিই হয়ে যায়। কিছু অভিভাবক সন্তানকে শাসন করতে গিয়ে রীতিমতো অতিষ্ট করে তোলেন। ফলে সন্তানের মনের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। সন্তানটি নৈতিকতা হারিয়ে উল্টো বখাটে হয়ে যায়। তাদের স্বভাবে গেঁথে যায় বেশ কিছু আচরণ। যেমন-
যখন তখন বকাঝকা ও অতিরিক্ত কড়া শাসন আপনার সন্তানকে মিথ্যা বলায় পটু করে তুলতে পারে। ছোট খাটো অন্যায় স্বীকার করলে বাবা-মা বকা দেবে এই ভয়ে সন্তান ছোট খাটো ব্যাপারে মিথ্যা বলার অভ্যাস গড়ে তোলে। এভাবে ছোট ছোট মিথ্যা বলে বড় অপরাধ করেও লুকানোর চেষ্টা করবে। এমন পরিস্থিতি না চাইলে সন্তানকে আপনার বন্ধুতে পরিণত করুন। আপনার সঙ্গে তার ভালো-মন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এর ভেতর থেকে তার ভুলগুলো শুধরে দিতে পারেন সহজে।
আরও দেখুন এখানে

বিপিএল আপডেট

By on ২:০৭ PM
বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডারকে লটারিতে প্রার্থনা করেছিল নিশ্চয়ই ছয়টি দলই। যদিও লটারিতে স্থানীয় ‘আইকন’ মাশরাফি বিন মুর্তজাকে বেছে নেওয়ার সময় উচ্ছ্বাস ছিল না কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের। সাকিব আল হাসানকে না-পাওয়ার হতাশা তো ছিলই। শেষমেশ সব হিসাব উল্টে দিয়ে সেই কুমিল্লাই প্রথম দল হিসেবে চলে গেল এবারের বিপিএলের শেষ চারে।
আরও দেখুন এখানে

এই দিনে হানাদারমুক্ত হয় ৭ জেলা

By on ২:০৫ PM
১৯৭১ সালের আজকের দিনে (৮ ডিসেম্বর) পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয় মৌলভীবাজার, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, পটুয়াখালী, মাদারীপুরের কালকিনি ও ময়মংসিংহের ভালুকা উপজেলা। চলুন জেনে নিই ১৯৭১ সালের এই দিনটির কথা:
মৌলভীবাজার: ৮ ডিসেম্বর। একাত্তর সালের এই দিনে মৌলভীবাজার পুরোপুরি হানাদারমুক্ত হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর যৌথ হামলা প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ৫ ডিসেম্বর থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর প্রতিরক্ষা ভেঙে পড়তে শুরু করে। পাক সেনারা তখন সিলেটের দিকে পালাতে শুরু করে। পালানোর সময় তাদের এলোপাথাড়ি গুলিতে অনেক নিরীহ মানুষ শহীদ হন। সিলেটে যাওয়ার পথে পাক বাহিনী শেরপুরে অবস্থান নিলে সেখান থেকেও তাদের বিতাড়িত করা হয়। এতে ৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার পুরোপুরি হানাদারমুক্ত হয় এবং আকাশে ওড়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা।
চাঁদপুর: ৮ ডিসেম্বর চাঁদপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে পাকহানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্তি পেয়েছিল চাঁদপুর জেলা। লাকসাম ও মুদাফ্ফরগঞ্জ মুক্ত হবার পর তৎকালীন চাঁদপুর মহকুমা জেলায় সর্বশেষ যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল ৭ ডিসেম্বর। মিত্রবাহিনী এবং মুক্তিযোদ্ধারা সড়কপথে হাজীগঞ্জ দিয়ে ৬ ডিসেম্বর চাঁদপুর আসতে থাকলে হানাদার বাহিনী প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। ভারতের মাউন্টেন ব্রিগেড ও ইস্টার্ন সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধারা যৌথ আক্রমণ চালান। যুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তান ৩৯ অস্থায়ী ডিভিশনের কমান্ডিং অফিসার মেজর জেনারেল রহিম খান পাকসেনাদের নিয়ে চাঁদপুর থেকে পলায়ন করেন। হাজীগঞ্জে ৩৬ ঘণ্টার এবং বড় স্টেশন এলাকায় তীব্র লড়াইয়ের পর ৮ ডিসেম্বর চাঁদপুর মুক্ত হয়।
আরও দেখুন এখানে